দাম কমায় ভারতে পাম অয়েলের চাহিদা বেড়েছে

বিশ্বের শীর্ষ পাম অয়েল আমদানিকারক দেশ ভারত। টানা পাঁচ মাস নিম্নমুখিতার পর দেশটিতে এপ্রিলে ভোজ্যতেলটির চাহিদায় বড় রকমের ঊর্ধ্বগতি দেখা গেছে।

বিশ্বের শীর্ষ পাম অয়েল আমদানিকারক দেশ ভারত। টানা পাঁচ মাস নিম্নমুখিতার পর দেশটিতে এপ্রিলে ভোজ্যতেলটির চাহিদায় বড় রকমের ঊর্ধ্বগতি দেখা গেছে। এসঅ্যান্ডপি গ্লোবাল কমোডিটি ইনসাইটসের প্লাটস জরিপে বিভিন্ন বাজারসংশ্লিষ্ট সূত্র এ তথ্য জানিয়েছে। খাতসংশ্লিষ্টরা বলছেন, তুলনামূলক কম দাম ও সয়াবিন তেলের তুলনায় আমদানিতে মুনাফা বৃদ্ধি চাহিদা ঊর্ধ্বমুখী হওয়ার পেছনে ভূমিকা রেখেছে। খবর হেলেনিক শিপিং নিউজ ও রয়টার্স।

এক বাজারসংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, বর্তমানে পাম অয়েলের দাম সয়াবিন তেলের তুলনায় কম। আমদানিতে মুনাফাও বেশি। তাই ভারতীয় ক্রেতারা স্বাভাবিকভাবেই বেশি পাম অয়েল ক্রয়ে আগ্রহী।

আরেক সূত্র জানায়, ভারতীয় ক্রেতারা দামের প্রতি সংবেদনশীল। বর্তমান পরিস্থিতি অনুকূল হওয়ায় আগের মাসগুলোর তুলনায় ব্যবসায়ীরা পুনরায় পাম অয়েল মজুদের চেষ্টা করবেন।

এর আগে পাম অয়েলের দাম অন্যান্য ভোজ্যতেলের তুলনায় যখন বেশি ছিল, তখন ভারতীয় আমদানিকারকরা ক্রয় কমিয়ে দিয়েছিলেন।

ভারতের সলভেন্ট এক্সট্র্যাক্টরস অ্যাসোসিয়েশনের তথ্যানুযায়ী, গত মার্চে ভারতের পাম অয়েল আমদানি দাঁড়ায় ৪ লাখ ২৪ হাজার ৫৯৯ টনে, যা ফেব্রুয়ারির তুলনায় ১৩ দশমিক ৭ শতাংশ বেশি। যদিও এটি ২০২৪ সালের মার্চের তুলনায় ৩৮ শতাংশ কম।

বাজার বিশ্লেষকরা জানিয়েছেন, পাম অয়েলের দাম কমার পেছনে ভূমিকা রেখেছে মালয়েশিয়ায় উৎপাদন ও মজুদ বৃদ্ধি এবং যুক্তরাষ্ট্রের সম্ভাব্য শুল্ক নিয়ে বাজারে অনিশ্চয়তা। বর্তমানে সয়াবিন তেলের তুলনায় ভোজ্যতেলটির দাম টনপ্রতি প্রায় ৫০ ডলার কম।

বিশ্বের দ্বিতীয় পাম অয়েল উৎপাদনকারী দেশ মালয়েশিয়া। সামনের দিনগুলোয় দেশটিতে উৎপাদনের ঊর্ধ্বগতির কারণে দাম আরো নিম্নমুখী হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

মালয়েশিয়ার সাউদার্ন পেনিনসুলার পাম অয়েল মিলার্স অ্যাসোসিয়েশনের তথ্যানুযায়ী, ১-২০ এপ্রিল পর্যন্ত মার্চের একই সময়ের তুলনায় উৎপাদন ৯ দশমিক ১১ শতাংশ, ফলন ৭ দশমিক ৬৯ ও তেল নিষ্কাশনের পরিমান দশমিক ২৭ শতাংশ বেড়েছে।

আরও